All posts by Department of Youth Development Chittagong

আমি মোখলেছুর রহমান , উপপরিচালক ,যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ,চট্টগ্রাম । বাংলাদেশের যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের গৃহিত কর্মসুচি( সেবা সমূহ) খুব সহজে যুব সমাজের কাছে পৌঁছে দেয়ার ইচ্ছেয় কাজ করে যাচ্ছি।

প্রকল্প

প্রকল্প.

Advertisements

আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০১৫

আন্তর্জাতিক যুব দিবস ১৫ এর র‍্যালিতে জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম ও যুবদের অংশ

আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০১২

আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০১২

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয় কর্তৃক আয়োজিত আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০১২ উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা।

পরিবারভিত্তিক কর্মসংস্থান কর্মসূচির ঋণ গ্রহীতার যোগ্যতা ও প্রাপ্তির ধাপঃ

পরিবারভিত্তিক কর্মসংস্থান কর্মসূচির ঋণ গ্রহীতার যোগ্যতা ও প্রাপ্তির ধাপঃ.

যুব প্রশিক্ষণ ও আত্বকর্মসংস্থান কর্মসূচির ঋণ ।

বাংলাদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠী যুব। এ যুব জনগোষ্ঠী যুবকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব।বেকার সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে কর্মসংস্থান সে ভাবে বাড়ছে না, সে দিক বিবেচনায় যুবদের আত্বকর্মসংস্থানের বিকল্প নাই। তাই সরকার যুগপযোগী শিক্ষা ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ঋণ দানের মাধ্যমে বেকার যুবদের কর্মে নিয়োজিতকরণের জন্য আত্বকর্মসংস্থান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

উদ্দেশ্যঃ

যুবদের উৎপাদনশীল কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা।

সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে বেকার যুবদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

উন্নয়ন কর্মকান্ডে যুবদের অংশ গ্রহন নিশ্চিত করা।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বেকার যুব ও যুব মহিলাদের আত্বকর্মসংস্থানে ঋণ প্রদাণ করা।

ঋণ গ্রহিতার যোগ্যতাঃ

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে।

প্রকল্পটি সম্ভসব্যতা যাচাইয়ে (পরিদর্শন)যোগ্য হতে হবে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটির গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ট্রেড সংশ্লিষ্ট প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

প্রশিক্ষণ শেষে ৩ বছরের মধ্যে ঋণের আবেদন করতে হবে।(নিজস্ব বিনিয়োগে চলমান প্রকল্পের ক্ষেত্রে সময় শিথিল যোগ্য)

গৃহিত প্রকল্পের ২০% কাজ নিজের অর্থে সম্পন্ন করতে হবে।

ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়াঃ

সাদাকাগজে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন দিতে হবে।

৭ দিনের মধ্যে প্রকল্প পরিদর্শনের তারিখ আবেদঙ্কারীকে জানিয়ে দেয়া হবে।

ক্রেডিট সুপারভাইজার পরিদর্শন পূর্বক মতামত ঐ দিন বা তারপর দিন করমকর্তার নিকট পেশ করবেন।

মতামত প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পুনরায় প্রকল্প পরিদর্শন করবেন।

প্রকল্পটি ঋণ প্রদানের যোগ্য হলে আবেদঙ্কারীকে ১০ টাকা মূল্যে এক সেট আবেদন ফরম দেয়া হবে।

আবেদন ফরম যথাযথ পুরন পূর্বক সাথে যা দিতে হবে

১।সদ্য তোলা ৩কপি পাস পোর্ট সাইজ সত্যায়িত ছবি
২।নগরিকত্ব সনদ
৩।প্রশিক্ষণের সনদ
৪।ব্যাং একাউন্ট নং
৫।ঋণ ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত সম্পত্তির মালিকানা সমর্থনে জমির মূল দলিল/দলিলের সার্টিফাইড কপি/হাল নাগাদ পর্চা ও দাখিলা জমা দিতে হবে

৬।প্রকল্পের জমি নিজস্ব না হলে ইজারার চুক্তি পত্র দাখিল করতে হবে ইজারা মেয়াদ কমপক্ষে ৩ বছর হতে হবে
৭।ইজারা চূক্তি বাতিলের আগে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সাথে আলোচনার বিষয়ে লিখিত অঙ্গীকার নামা থাকবে
৮।আবেদন পত্রের সাথে প্রকল্পের বিবরণসহ তথ্যাদি দাখিল করতে হবে।

জামিনদারের যোগ্যতাঃ

ঋণ গ্রহিতার পিতা/মাতা বা নিকট আত্বীয় দের মধ্যে যার নিজস্ব সম্পত্তি আছে যার বর্তমান বাজ্র মুল্য প্রস্তাবিত ঋণের ২ গুন

স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি নেই এমন কোন ঋণ গ্রহিতার পিতা /মাতা/নিকট আত্বীয় যদি সরকারী করমচারী হোন তা হলে তার নিয়ন্ত্রঙ্কারী কর্মকর্তার মাধ্যমে ঋঙরহিতার জামিনদার হতে পারবেন।
৭।

ঋণ বিতরণঃ

উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী/ক্যাশিয়ার কাম মুদ্রক্ষরিক যৌথ স্বাক্ষর করে ঋণ গ্রহিতাদের উপস্থিতিতে উপজেলা কার্যালয়ে বাহক চেক গুলো সদস্যদেরকে প্রদান করবেন।ব্যাং কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত তালিকা ও স্বাক্ষর পরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট সদস্যকে ঋণের টাকা প্রদান করবেন তবে এন্টারপ্রাইজ ঋণের ক্ষেত্রে একাউন্ট পেয়েই চেক দেয়া হবে।

কোন কেন্দ্রের ৯০% সদস্য ঋণ ও সার্ভিস চার্জ যথারীতি পরিশোধ করলে বকেয়া খেলাপী সদস্য ব্যতীত পরিশোধকারী সদস্যদেরকে ন্তুন ঋণ প্রদান করা যাবে।তবে এ ক্ষেত্রে তারা দলীয় খেলাপি অংশের হারাহারি দায় পরিশোধে বাধ্য থাকবে।

যৌক্তিক কারণে কোন কেন্দ্র খেলাপী হলে যদি একসাথে উক্ত কেন্দ্রের সমুদয় পাওনা পরিশোধ করেন তা হলে পরবর্তী দফায় ঋণ প্রদান করা যাবে।

কিস্তি আদায়ঃ

ঋণ গ্রহিতা সদস্যদেরকে ঋণের টাকা সার্ভিস চার্জ সহ ৫২ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে।
চেক গ্রহণের তারিখ থেকে ১৫ দিন গ্রেস পিরিয়ড হিসেবে বিবেচিত হবে। ২২তম দিনে আসল পরিশোধের প্রথম সাপ্তাহিক কিস্তিতে রিণ ফেরতের তারিখ শুরু হবে এবং ৫০তম কিস্তিতে আসল পরিশোধ শেষে ৫১ এবং ৫২ তম সপ্তাহে সার্ভিস চার্জ আদায় করা হবে।

এন্টারপ্রাইজ ঋণের ক্ষেত্রে ১ মাস গ্রেস পিরিয়ড বাদে ২৩ টি সমান কিস্তিতে অর্থাৎ মোট ২৪ মাসের মধ্যে পরিশোধিত হবে।

ঋণের সার্ভিস চার্জের পরিমান ১০%।

পরিবার ভিত্তিক ঋণ প্রদান প্রক্রিয়াঃ

  • পরিবার ভিত্তিক ঋণঃ
  • কেন্দ্র থেকে ঋণ প্রস্তাব পাবার পর
  • ক্রেডিত সুপারভাইজার যাচাই বাছাই করে ৩ দিনের মধ্যে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কাছে পেশ করবেন।
  • উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা যাচাই বাছাই পরীক্ষা নিরীক্ষা পূর্বক ৭ দিনের মধ্যে উপ পরিচালকের কাছে প্রেরণকরবেন।
  • উপ পরিচালক ৫ দিনের মধ্যে অনুমোদন অথবা যুক্তিযুক্ত কারণ উল্লেখ পূর্বক ফেরত পাঠাবেন।
  • ত্রুটি সংশোধন করে উপজেলা থেকে ৩ দিনের মধ্যে উপপরিচালকের কাছে প্রেরণ করবেন।
  • উপ পরিচালক ৩ দিনের মধ্যে ঋণ অনুমোদন করবেন।
  • উপ পরিচালক অনুমোদিত ঋণের তালিকা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কাছে এবং সংশ্লিষ্ট সার্ভিসিং ব্যাংকে প্রেরণ করবেন ।
  • এন্টারপ্রাইজ ঋণঃ
  • আবেদন প্রাপ্তির ৩ দিনের মধ্যে ক্রেডিট সুপারভাইজার যাচাই বাছাই পূর্বক উপজেলায় পেশ করবেন।
  • উপজেলা থেকে ৭ দিনের মধ্যে সকল যাচাই বাছাই করে উপপরিচালকের নিকট প্রেরন করবেন।
  • উপপরিচালক ৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষ করে অনুমোদনের জন্য প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করবেন।
  • দারিদ্র বিমোচন শাখা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মহাপরিচালকের নিকট উপস্থাপন করবেন
  • প্রস্তাব যথাযোগ্য বিবেচিত হলে মহপরিচালক অনুমোদন করে ৩০ দিনের মধ্যে উপপরিচালক কে জানিয়ে দেবেন।

পরিবার ভিত্তিক ঋণ ২য় ধাপ

কেন্দ্র ও কেন্দ্র সভাঃ

কর্মসূচি ভূক্ত সদস্যদের জন্য কেন্দ্র  হল  দ্বিতীয় স্তরের সংগঠন। সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে সকল গ্রুপ সদস্যদের উপস্থিতিতে কেন্র সভা অনুষ্ঠিত হয় । সংশ্লিষ্ট ক্রেডিট সুপার ভাইসার উক্ত কেন্দ্র সভায় উপস্থিত থেকে ঋণ প্রস্তাব প্রণয়ন, ঋণ ব্যবহার তদারকি, কিস্তি ও সঞ্চয় আদায়সহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন্মূলক ক্ররযক্রম মডিউল নিয়ে আলোচনা করবেন ।

কেন্দ্র ও কেন্দ্র গঠনের নিয়মাবলীঃ

১। ৮-১০ টি গ্রুপ নিয়ে একটি কেন্দ্র গঠিত হবে । শুধু মহিলা সদস্য নিয়েও কেন্দ্র গঠন করা যাবে ।
২।কেন্দ্রের সকল সদস্যের মতামত নিয়ে কেন্দ্র সভার স্থান , সময়, ও দিন নির্ধারন করতে হবে ।
৩। কেন্দ্রের সকল সদস্য পরস্পর পরস্পরের ঋণের জন্য দ্বায়বদ্ধ থাকবেন ।
৪। কেন্দ্রকে চলমান  রাখার জন্য কমপক্ষে ২০ জন সদস্য থাকতে হবে ।

  কেন্দ্র প্রধান ও কেন্দ্র সচিবঃ

১। গ্রুপ প্রধান গণ তাঁদের মধ্যে থেকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ১ জন কেন্দ্র প্রধান ও ১ জন কেন্দ্র সচিব নির্বাচিত করবেন ।
২।কোন কারণে পদ শূন্য হলে পরবর্তী মাসের মধ্যে তা নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণ করতে হবে ।

কেন্দ্র প্রধান ও কেন্দ্র সচিবের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

১। কেন্দ্র সচিবের উদ্যোগে এবং কেন্দ্র প্রধানের তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রের সাপ্তাহিক সভা অনুষ্ঠিত হবে ।
২। ঋণ প্রস্তাব প্রণয়ন , ঋণের সঠিক ব্যবহার ,ঋণ ও সঞ্চয় জমার ক্ষেত্রে ক্রেডিট সুপারভাইজারকে সহায়তা করবেন ।
৩। অনুপস্থিত সদস্যের বাড়ীতে গিয়ে কিস্তি আদায়ের জন্য হাজির করবেন ।
৪। কেন্দ্র প্রধান  ও  কেন্দ্র সচিব  কেন্দ্রকে সামাজিক সংহতি, অর্থনৈতিক তৎপরতার ভিত্তি হিসেবে সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
৫। কেন্দ্র প্রধানের অনুপস্থিতিতে  কেন্দ্র সচিব কেন্দ্রপ্রধানের দ্বায়িত্ব  পালন করবেন ।
৬। কেন্দ্রসচিব কেন্দ্র সভার আলোচ্যসূচি ও গ্রিহিত সিদ্ধান্ত কার্যবিবরণী রেজিষ্টারে সংরক্ষণ করবেন।
৭। কেন্দ্রপ্রধান কেন্দ্রের সার্বিক শৃংখলা নিশ্চিত করবেন।

ঋণ বিতরণে প্রস্তুতিমূলক কার্যাবলীঃ

১। সরকারী  ছাপানো ফরমে গ্রুপের সদস্য   হওয়ার জন্য কেন্দ্র প্রধানের মাধ্যমে লিখিত আবেদন করবেন ।
২। গ্রুপ ও কেন্দ্র গঠনের পর প্রতি সদস্যকে ৫ দিনের প্রশিক্ষণ নিতে হয় ।প্রশিক্ষণ ও গ্রুপ/কেন্দ্রের মান যাচাইয়ের পর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গ্রুপ ও কেন্দ্রের স্বীকৃতি প্রদান করবেন।
৩।গ্রুপ ও কেন্দ্র গঠন চূড়ান্ত হলে গ্রহণযোগ্য ও সংগতি পূর্ণ স্কীম/পেশা উল্লেখ পূর্বক ঋণের জন্য আবেদন করবেন। ৫ম দিফা পর্যন্ত ঋণ পরিশোধকারী প্রতি পরিবার থেকে একজন কে এন্টারপ্রাইজ ঋণ প্রদান করা হবে ।
৪।ঋণ গ্রহণের পূর্বে ঋঙরহিতাকে ১৫০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্টাম্পে গ্রুপ ভিত্তিক স্কীম/পেশার চূক্তিনামা  সম্পন্ন করতে হবে । তবে এন্টারপ্রাইজ ঋণের ক্ষেত্রে একক চূক্তি নামা করতে হবে ।

                                               উপকারভোগী প্রশিক্ষণঃ

১।প্রতি কেন্দ্রের চাহিদার সাথে সংগতি রেখে সদস্যদের নিয়ে  কেন্দ্র ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
২।ঋণ ব্যবহার , পরিশোধ পদ্ধতি ছাড়াও উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট  ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
৩। প্রশিক্ষণের মেয়াদ ৫ দিন তবে বাজেট বরাদ্দের আলোকে প্রয়োজনীয়তার নিরিখে কম বেশী হয়।

                                        সঞ্চয়

ঋণ গ্রহণের সময় ঋণ গ্রহিতাকে ৫% গ্রুপ সঞ্চয় হিসেবে জমা রাখতে হবে ।সাপ্তাহিক সঞ্চয়ের বাবদ প্রতি আসল কিস্তির সাথে ১০ টাকা সঞ্চয় জমা রাখতে হয়।ঋণ পরিশোধের পর ব্যাংকের সঞ্চয় হিসাবে দেয় প্রচলিত সুদ সহ ঋণ গ্রহিতাকে ফেরত প্রদান করা হয় ।

                                      ঋণের পরিমাণঃ

১ বছর মেয়াদী ১ম দফা ঋণের পরিমাণ ৮০০০টাকা সফল ঋণ পরিশোধকারী ২য় দফায় ১০০০০টাকা এ ভাবে ৫ম দফায় এক জন ঋণ গ্রহিতাকে ১৬০০০০টাকা ঋন প্রদাণ করা হয়। ৫ম দফা পরিশোধকারী পরিবারের ১ জন সদস্য এন্টারপ্রাইজ ঋণের যোগ্য যা ৩০০০০টাকা থেকে ৫০০০০০টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

পরিবারভিত্তিক ঋণঃ ১ম ধাপ ।

সদস্য বাছাই পদ্ধতিঃ

*উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তাঁর কর্ম এলাকায় আর্থ-সামাজিক জরিপ  সম্পাদন ।
*টার্গেট গ্রুপ নির্ধারণ ।
*চিহ্নিত সদস্যদের সাথে কমপক্ষে ৩ টি উঠান বৈঠক ।
*কর্মসূচির উদ্দেশ্য , নিয়মাবলী ও করণীয় অবহিত করন ।

গ্রুপ সদস্যের যোগ্যতাঃ

*প্রাথমিক জরিপকৃত পরিবারের সদস্য ।
*১৮ থেকে ৪৫ বছরের কর্মক্ষম ( পরিবার প্রধানের বয়স শিথিলযোগ্য) ।
*বার্ষিক আয় ২৫০০০/টাকার কম।
*স্থাবর ,অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২০০০০০/( দুই লাখ )টাকার কম।
*নিম্ন পেশাজীবী অগ্রাধিকার ( জেলে কামার কুমার তাঁতী ইত্যাদি )।
*স্বাক্ষর জ্ঞান থাকা আবশ্যিক।
*নাগরিকত্ব সনদ।

গ্রুপঃ

*রকই পরিবারের বা প্রতিবেশী সহ ৫ জন নিয়ে ১ টি গ্রুপ ।
*প্রত্যেক সদস্য পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধ্যাশীল   ও দ্বায়বদ্ধ থাকবে।
*জরিপ শেষে ১৫ দিনের মধ্যে গ্রুপ গঠন হবে।
*শুধু মহিলা সদস্য নিয়েও গ্রুপ হবে।
*গ্রুপের এক জন প্রধান থাকবে।
*গ্রুপ সদস্য সাপ্তাহিক সভায় উপস্থিত থাকবেন।
*ঋণ ব্যবহারের নিয়মাবলী , পরিশোধ ও গ্রুপের শৃংখলা বজায় রাখা সদস্যের কর্তুব্য।

গ্রুপ প্রধানঃ

*পরিবার প্রধান বা বয়োজ্যেষ্ঠ আস্থাশীল ব্যক্তি অথবা গ্রুপের মধ্যে নির্বাচিত।

গ্রুপ প্রধানের দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

*সদস্যদের জন্য ঋণের সুপারিশ করা।
*গ্রুপে নেতৃত্ব ও পরামর্শ প্রদান।
*ঋণ ব্যবহার ও  পরিশোধ নিশ্চিত করা।
*সদস্যদের নিয়মিত সাপ্তাহিক সভায় উপস্থিত করা।
*উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহনের উদ্যোগ গ্রহন করা।
*সমন্বয় করা।

সদস্য পদ শূন্য, ত্যাগ ও বহিস্কারঃ

*মৃত্যু , পদত্যাগ বা বহিস্কারের ফলে সদস্য কমে গেলেও বাকী সদসয দিয়ে গ্রুপ পরিচালিত হবে।
*গ্রুপ, সমাজ, রাষ্ট্র বিরধী বা অনৈতিক কার্যকলাপে বহিস্কার করা হয় আর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা যায়।
*স্বেচ্ছায় পদত্যাগ কারী তাঁর সঞ্চয়ের সুদ সহ ফেরত পায় , বহিস্কৃত সদস্য সুদ ছাড়া সঞ্চয় ফেরত পায়।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও যুব সংগঠনের মধ্যে নেটওয়ারকিং জোড়দারকরণ প্রকল্প।

ক্লাবভিত্তিক যুব কর্মসূচি সারা  দেশে সম্প্রসারণ ও জোড়দারকরণের মাধ্যমে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী যুবসংগঠনের মধ্যে কর্মসূচি ভিত্তিক নেটওয়ার্কিং জোড়দার করা এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বেকার যুবদের কর্মসংস্থান বা আত্বকর্মসংস্থানের জন্যে যুবসংগঠনের সহায়তায় জীবন দক্ষতা ও দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে । বেকার যুবদের আত্বকর্মসংস্থানে  উদ্বুদ্ধ করার নিমিত্ত প্রকল্পের কর্মসূচি ভিত্তিক ১০০০টি যুবসংগঠনের মাধ্যমে আত্বকর্মসংস্থানমূলক প্রদর্শনী প্রকল্প  স্থাপন করা হয়েছে ।যুব কার্যক্রম বিষয়ক তথ্য সহজে প্রাপ্তি  নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল প্রশিক্ষিত ও আত্বকর্মী যুবদের , যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এবং যুবঋণ কর্মসূচির  ডাটা বেইজ তৈরীর সফট ওয়ার তৈরী করা হয়েছে ।যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের সাথে  সকল জেলা উপজেলায় ইন্টারনেট স্থাপন করা হয়েছে ।
এ প্রকল্পের আওতায় কুমিল্লা জেলায় বেসিক কম্পিউটার ট্রেনিং কোর্স শুরু হয়েছে। জেলার ১৬ টি উপজেলার ৩৩ টি সংগঠনের মোট ৭২৬ জন যুব বেসিক ট্রেনিং কোর্স গ্রহন করবে । এ পর্যন্ত ৬ ব্যাচে প্রতিটিতে  ৩২ জন করে ১৯২ জনের প্রশিক্ষণ প্রদান  শেষ হয়েছে ।১০ দিন মেয়াদী প্রশিক্ষণে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত থাকেন কম্পিউটার বিষয়ে পারদর্শী সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের অফিসারগণ । তাঁদের মধ্যে উল্লখযোগ্য এ টু আই প্রকল্পের  লোকাল দেভেলপমেন্ট স্পেশালিষ্ট জনাব ড, আব্দুল মান্নান ( উপ সচিব ) । বার্ড এর যুগ্ম পরিচালক জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন,  টিটিসি এর কম্পিউটার বিভাগের প্রধান জনাব কামরুল ইসলাম , কুমিল্লা জেলার  তথ্য অফিসার জনা মীর হোসেন আহসানুল কবীর, উপপরিচালক, জনাব মোঃ মোখলেছুর রহমান ,  ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর  জনাব অরুনাভ দেবনাথ  সহকারী পরিচালক জনাব মোরশেদ আলম এবং  যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক, কম্পিউটার , জনাব জাকির হোসেন ।
কুমিল্লা জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক  জনাব মোঃ রেজাউল আহসান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও উন্নয়ন জনাব সঞ্জয় কুমার ভৌমিক রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত থেকে যুবদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি উদ্বুদ্ধ করে থাকেন। বর্তমানে ৭ম ব্যচের প্রশিক্ষণ চলমান।

Innovative Management of Resources for poverty Alleviation Through Comprehensive Techonology(IMPACT) project

বেকার যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গবাদি পশু ও মুরগীর খামার স্থাপন অ সম্প্রসারণ,খামারের বর্জ্য যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিকল্প জ্বালানী হিসেবে বায়োগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন সহ অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য।বেকার যুবদের আত্বকর্মসংস্থান প্রকল্পের সম্মদ বৃদ্ধি ও সংরক্ষণের জন্য প্রকল্পের কর্মকান্ডের সাথে  সম্পৃক্ত যুবদের প্রশিক্ষণ শেষে ক্ষুদ্র ঋণ সহয়তা প্রদান করা হচ্ছে। জাপান সরকারের জেডিসিএফ-এর আর্থিক সহায়তায় প্রকল্পের কার্যক্রম ১০ টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হয়েছে ।জুন ২০১১ এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে ।

সমাপ্ত যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পঃ

বেকার যুব ও যুব মহিলাদের গবাদিপশু-হাঁস- মুরগী পালন, মৎস্যচাষ ও কৃষি বিষয়ে আধুনিক প্রযুক্তি বযবহারের কলাকৌশল সম্পর্কিত ২ মাস ১৫ দিন মেয়াদী আবাসিক প্রশিক্ষন প্রদান এবং তাদেরকে আত্বকর্মসংস্থানে নিয়োজিত করাই এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য । যুবদেরকে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রকল্পের সম্পদ সংরক্ষণের জন্য প্রাথমিক চিগিৎসা সম্পর্কেও জ্ঞানদান করা হয় । আবাসিক যুব প্রশিক্ষন কেন্দ্রের সংখ্যা মোট ৫৩ টি । ৫৩ টি যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে ২১ টি ইতোমধ্যে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত হয়েছে ।অবশিষ্ট ৩২ টি কেন্দ্র ” ছাব্বিশটি নতুন যুব প্রশিক্ষন কেন্দ্র স্থাপন ” শীর্ষক প্রকল্প এবং ১৮ টি নতুন যুব কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের আওতায় নির্মান করা হয়েছে ৮ টি ।

সমাপ্ত বেকার যুবদের কারিগরী প্রশিক্ষণ প্রকল্প(২য় পর্ব)ঃ

দেশের শিক্ষিত বেকার যুবদের কারিগরী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করা এবং স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য । এ প্রকল্পের আওতায় –
ক)কম্পিউটার ট্রেডে ইন্টেরনেট ও নেটওয়ার্কিং সহ কম্পিউটার বেসিক কোর্স এবং কম্পিউটার গ্রাফিক্স কোর্স
খ) ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড হাউস ওয়ারিং ট্রেড
গ)রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ট্রেড
ঘ)ইলেক্ট্রনিক্স ট্রেডে বেকার যুবদের হাতে কলমে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষন প্রদান করা হয় ।
উপরোক্ত ট্রেড-সমূহের মধ্যে কম্পিউটার ট্রেডে দেশের সকল জেলায় , ইলেক্টিক্যাল এন্ড হাউস ওয়ারিং ট্রেডে ২৩ টি জেলায়, রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ও ইলেক্ট্রনিক্স ট্রেডের প্রতিটিতে দেশের ৯ টি জেলায় প্রশিক্ষন প্রদান করা হয় । প্রশিক্ষণ কোর্স সমূহের মেয়াদ ৬ মাস ।এ প্রকল্পের মেয়াদ জুন ২০০৬ এ সমপ্ত হয়েছে । প্রকল্পের কার্যক্রম সহ জনবল রাজস্ব খাতে স্থানান্তর প্রক্রিয়াধীন  আছে ।বর্তমানে থোক বরাদ্দের মাধ্যমে প্রশিক্কন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ।

দারিদ্র্য বিমোচনে ঋণ কর্মসূচি

ক) পরিবার ভিত্তিক কর্মসংস্থান কর্মসূচিঃ

পরিবার ভিত্তিক ঋণ কার্যক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো পারিবারিক বন্ধন কে  সুদৃঢ় করে বেকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও স্ব-কর্মসংস্থান সৃষ্টি যা দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ ও ঋণ প্রদানের মাধ্যমে করা হয়।পারিবারিক ঐতিহ্যগত পেশাকে কাজে লাগিয়ে বেকারত্ব হ্রাস করণ , পারিবারিক সম্প্রীতি  সৌহার্দ্য সমুন্নত রাখার কার্যক্রম সম্প্রসারণ , পরিবারের সঞ্চয় অভ্যাস গড়ে তোলা , নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা , স্বাস্থ্য পরিচর্যা,পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ উন্নয়নে জনগোষ্ঠীকে উদ্বুদ্ধ করা। এ কর্ম সূচির আওতায় একই পরিবারের ৫ জন বা প্রতিবেশী পরিবারের পরস্পরের উপর আস্থাভাজন্দের নিয়ে একটি গ্রুপ গঠন করা হয়।
একই গ্রামের ৮ থেকে ১০ টি গ্রুপ নিয়ে রক্টি কেন্দ্র গঠন করে ঋণ প্রদান করা হয়।১ম ২য় ৩য় ৪র্থ ৫ম দফায় যথাক্রমে ৮০০০/ ১০০০০/ ১২০০০/ ১৪০০০/ ১৬০০০/ টাকা ঋণ প্রদান করা হয়। এ ছাড়া ৫ম দফা পরিশীধকারীকে ( প্রতি গ্রুপ থেকে ১ জনকে) ৩০০০০/ থেকে ৫০০০০/ টাকা পর্যন্ত এন্টারপ্রাইজ ঋণ প্রদান করার ব্যবস্থা আছে।ঋণ গ্রহন ও পএইশোধ প্রক্রিয়ার কোন পর্যায়ে ঋণ গ্রহিতাকে যুব উন্নয়ন অফিসে আস্তে হয় না । এ কর্মসূচিতে মূলত পেশাভিত্তিক ঋণ প্রদান করা হয়।কোন প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় না । তবে মনোনীত সদস্যদের ৫ দিন মেয়াদী আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উপর কেন্দ্র ভিত্তক ওরিয়েন্টেশন  প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

খ) যুব প্রশিক্ষণ ও আত্বকর্মসংস্থান কর্মসূচিঃ

যুবদের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের পর আত্বকর্মসংস্থানে  উদ্বুদ্ধকরণ ও ঋণ সহায়তা  অরদানের জন্য প্রাথমিক ভাবে প্রকল্প আকারে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় । দেশের ৬৪ জেলায় ৪৭৬ টি উপজেলা এবং ১০ টি মেট্রপলিটান ইউনিট থানায় এ কার্যক্রম রয়েছে।পোষাক তৈরী ,ব্লক, বাটিক অ স্ক্রিন প্রিন্টিং , মৎস্য চাষ , মডার্ণ অফিস ম্যানেজমেন্ট এন্ড কম্পিউটার এ্যাপ্লিকেশন, প্যাটার্ণ মেকিং, প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য প্রতিটি জেলায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলায় ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষন প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে ।
প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী যুবদের ১০০০০/ টাকা থেকে ৫০০০০০/টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা হয় । অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষন গ্রহণকারী কে ৫০০০/টাকা থেকে ২৫০০০/টাকা ঋন প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে । এ কর্মসূচিতে ঋণের সার্ভিস চার্জ ১০% যা ক্রম হ্রাস মান হারে ৫% এ দ্বাড়ায় ।

প্রশিক্ষিত যুবদের আত্বকর্মসংস্থান কর্মসূচিঃ

বেকার যুবদের প্রশিক্ষণ দেয়ার পর প্রশিক্ষণ লব্ধ  জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আত্বকর্মসংস্থানের মাধ্যমে আত্বনির্ভরশীল হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।প্রশিক্ষিত যুবদের যুব ঋন সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আত্বকর্মসংস্থানে গৃহিত প্রকল্প সম্প্রসারণে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে ঋন কার্যক্রম পরিচালিত করে চলেছে।আত্বকর্মসংস্থানে নিয়োজিত যুবদের মাসিক আয় ১৫০০/টাকা থেকে ৫০০০০/টাকা পর্যন্ত।অবশ্য অনেক সফল যুব ক্ষেত্র ভেদে লক্ষাধিক টাকা মাসে আয় করে থাকে।

যুব ঋণ কর্মসূচিঃ

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুব ঋণ কর্মসূচি দুই ধরনের।

ক)গ্রুপ ভিত্তিক ঋণ কর্মসূচিঃ

এ কর্মসূচির আওতায় পারিবারিক ভাবে সংগঠিত করে যুবদের ঋণ প্রদান করা হয়। প্রতি গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ০৫ জন । গ্রুপের প্রত্যেক সদস্যকে প্রাথমিক পর্যায়ে ৮০০০/টাকা করে ঋণ অরদান করা হয় , পর্যায়ক্রমে ১৬০০০/টাকা পর্যন্ত ঋণের পরিমান বৃদ্ধি পায়।

খ)একক ঋণ কর্মসূচিঃ

এ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষিত যুবদের প্রত্যেক সদস্যকে সর্বনিম্ন ৫০০০/টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০০০০০/টাকা করে ঋণ প্রদান করা হয়।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর

ভূমিকাঃ

যে কোন দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের চালিকা শক্তি সে দেশের কর্মক্ষম জন গোষ্ঠী।আর এ জন শক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ সে দেশের যুব সমাজ।জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি যুব সমাজ এর সঠিক ব্যবহারের উপর নির্ভরশীল।যুব সমাজের সাহস, মেধা, সৃজনশীলতা প্রতিভা দ্বারা একটি জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন সাধন হয়।উন্নয়ন ইতিহাসের  ইতিহাসের সকল উদাহরনের মত বাংলাদেশের যুব শক্তিও ভবিষ্যত কর্ণধার।দেশের সব চেয়ে সম্ভাবনাময় জনগোষ্ঠীকে সুসংগঠিত,সুশৃংখল ও দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে।জাতীয় যুব নীতি অনুসারে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীকে যুব হিসেবে সংগায়িত করা হয়েছে।এ বয়স সীমার জনসংখ্যা বাংলাদেশের মোট  জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ যা আনুমানিক প্রায় ৫ কোটি।আত্বপ্রত্যয়ী সৃজনশীল , উৎপাদনক্ষম এ বৃহৎ অংশকে উন্নয়নের মূল ধারায় অবদান রাখার নিমিত্বে তাদের মাঝে দ্বায়িত্ববোধ জাগ্রত করে সুশৃংক্ষল  কর্মীবাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সৃষ্টির পর থেকেই করে আসছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুব সহায়ক বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচী ইতোমধ্যেই জাতীয় উন্নয়নে প্রতিফলিত হচ্ছে।
১৯৭৮ সালে সরকার যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করে যা পরবর্তীতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হিসেবে পূনঃনামকরণ করা হয়।১৯৮১ সালে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সৃষ্টি হয়। তারই ধারাবাহিকতায় অন্যান্য জেলা কার্যালয়ের সাথে কুমিল্লায় কার্যক্রম শুরু হয় ।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মপরিধিঃ

রুলস অফ বিজনেসের ১ নং তফসীল অনুযায়ী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপর নিম্নবর্ণিত কার্যাদি অর্পিত হয়েছে।

  • যুবদের কল্যাণ, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ক সকল কার্যাদি।
  • উন্নয়ন কর্মকান্ডে যুবদের স্বেচ্ছায় অংসগ্রহণে উৎসাহিত করা।
  • যুবদের কল্যাণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযোগ রাখা।
  • নির্দষ্ট প্রকল্পের জন্য অর্থ মঞ্জুরী।
  • যুব পুরস্কার প্রদান।
  • যুবদেরকে দায়িত্বশীল , আত্ববিশ্বাসী এবং অন্যান্য মানবিক গুণাবলূ অর্জনে উৎসাহ প্রদানে কর্মসূচী গ্রহণ।
  • যুব উন্নয়ন কার্যক্রমের উপর জরীপ ও গবেষণা ।
  • বেকার যুবদের জন্য কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ভিশনঃ

  • অনুৎপাদনশীল যুবসমাজকে সুসংগঠিত,সুশৃংখল এবং উৎপাদনমূখী শক্তিতে রূপান্তর করা।
  • দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবদের কর্মসংস্থান বা স্বকর্মসংস্থানে নিয়োজিত করা।
  • জাতীয় উন্নয়ন কর্মকান্ডে যুবদের সম্পৃক্ত করা।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্দেশ্যাবলীঃ

  • উদ্বুদ্ধ্করণ, প্রশিক্ষণ,ক্ষুদ্রঋণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহয়তার মাধ্যমে যুবদের কর্মসংস্থান ও আত্বকর্মসংস্থানে  নিয়োজিত করা সহ দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ার প্রতিটি স্তরে সম্পৃক্ত করা।
  • গোষ্ঠী উন্নয়নে সহয়তা করার জন্য যুবদের বিভিন্ন গ্রুপে সংগঠিত করা।
  • স্থানীয় পর্যায়ে যুব সংগঠনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা এবং অংশগ্রহন্মূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করা।
  • যুবদের গণ শিক্ষা কার্যক্রম, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, পরিবেশ উন্নয়ন, সম্পদ সংরক্ষণ ইত্যাদি আর্থ সামাজিক কার্যকলাপে সম্পৃক্তকরণ এবং সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ, মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার,এইচাইভি/এইডস এবং এস্টিডি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
  • যুবদের ক্ষমতায়নের নিমিত্তে আত্বকর্মসংস্থান্ মূলক প্রকল্প স্থাপন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহন মূলক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগদানের লক্ষ্যে  তাদেরকে দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ, আত্বকর্মসংস্থান ও ক্ষুদ্র ঋণ সহায়তা প্রদানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।