যুব প্রশিক্ষণ ও আত্বকর্মসংস্থান কর্মসূচির ঋণ ।

বাংলাদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠী যুব। এ যুব জনগোষ্ঠী যুবকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব।বেকার সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে কর্মসংস্থান সে ভাবে বাড়ছে না, সে দিক বিবেচনায় যুবদের আত্বকর্মসংস্থানের বিকল্প নাই। তাই সরকার যুগপযোগী শিক্ষা ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ঋণ দানের মাধ্যমে বেকার যুবদের কর্মে নিয়োজিতকরণের জন্য আত্বকর্মসংস্থান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

উদ্দেশ্যঃ

যুবদের উৎপাদনশীল কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা।

সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে বেকার যুবদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

উন্নয়ন কর্মকান্ডে যুবদের অংশ গ্রহন নিশ্চিত করা।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বেকার যুব ও যুব মহিলাদের আত্বকর্মসংস্থানে ঋণ প্রদাণ করা।

ঋণ গ্রহিতার যোগ্যতাঃ

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে।

প্রকল্পটি সম্ভসব্যতা যাচাইয়ে (পরিদর্শন)যোগ্য হতে হবে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটির গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ট্রেড সংশ্লিষ্ট প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

প্রশিক্ষণ শেষে ৩ বছরের মধ্যে ঋণের আবেদন করতে হবে।(নিজস্ব বিনিয়োগে চলমান প্রকল্পের ক্ষেত্রে সময় শিথিল যোগ্য)

গৃহিত প্রকল্পের ২০% কাজ নিজের অর্থে সম্পন্ন করতে হবে।

ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়াঃ

সাদাকাগজে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন দিতে হবে।

৭ দিনের মধ্যে প্রকল্প পরিদর্শনের তারিখ আবেদঙ্কারীকে জানিয়ে দেয়া হবে।

ক্রেডিট সুপারভাইজার পরিদর্শন পূর্বক মতামত ঐ দিন বা তারপর দিন করমকর্তার নিকট পেশ করবেন।

মতামত প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পুনরায় প্রকল্প পরিদর্শন করবেন।

প্রকল্পটি ঋণ প্রদানের যোগ্য হলে আবেদঙ্কারীকে ১০ টাকা মূল্যে এক সেট আবেদন ফরম দেয়া হবে।

আবেদন ফরম যথাযথ পুরন পূর্বক সাথে যা দিতে হবে

১।সদ্য তোলা ৩কপি পাস পোর্ট সাইজ সত্যায়িত ছবি
২।নগরিকত্ব সনদ
৩।প্রশিক্ষণের সনদ
৪।ব্যাং একাউন্ট নং
৫।ঋণ ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত সম্পত্তির মালিকানা সমর্থনে জমির মূল দলিল/দলিলের সার্টিফাইড কপি/হাল নাগাদ পর্চা ও দাখিলা জমা দিতে হবে

৬।প্রকল্পের জমি নিজস্ব না হলে ইজারার চুক্তি পত্র দাখিল করতে হবে ইজারা মেয়াদ কমপক্ষে ৩ বছর হতে হবে
৭।ইজারা চূক্তি বাতিলের আগে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সাথে আলোচনার বিষয়ে লিখিত অঙ্গীকার নামা থাকবে
৮।আবেদন পত্রের সাথে প্রকল্পের বিবরণসহ তথ্যাদি দাখিল করতে হবে।

জামিনদারের যোগ্যতাঃ

ঋণ গ্রহিতার পিতা/মাতা বা নিকট আত্বীয় দের মধ্যে যার নিজস্ব সম্পত্তি আছে যার বর্তমান বাজ্র মুল্য প্রস্তাবিত ঋণের ২ গুন

স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি নেই এমন কোন ঋণ গ্রহিতার পিতা /মাতা/নিকট আত্বীয় যদি সরকারী করমচারী হোন তা হলে তার নিয়ন্ত্রঙ্কারী কর্মকর্তার মাধ্যমে ঋঙরহিতার জামিনদার হতে পারবেন।
৭।

Advertisements